
সৌদি ও বাংলাদেশে ঈদ-উল-ফিতর কবে?
সৌদিতে এবার ৩০ রমজানেও খালি চোখে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। কারন ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে সৌদির আকাশে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে মাত্র ০.২% যা খালি চোখে দেখতে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা সম্ভব।
সৌদি যেহেতু চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার করে তাই সৌদি ১৯ মার্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করেই চাঁদ দেখতে পারে। যদিও ৩০ রমজান পূর্ণ হলে ঈদ পালন করতে চাঁদ দেখার প্রয়োজন নেই। তবে ঈদের চাঁদ নিয়ে সবারই আগ্রহ থাকে। তাই সৌদির মানুষকে খালি চোখে চাঁদ দেখতে হলে ২০ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
অর্থাৎ তারা ঈদের দিন সন্ধ্যায় বড় করে ঈদের চাঁদ খালি চোখেই দেখতে পারবে। এই গড়মিলের কারন হচ্ছে সৌদি এবার রমজানের নতুন চাঁদ সৃষ্টি হওয়ার মাত্র ৩ ঘন্টার মধ্যেই দেখে ফেলেছিলো। যা ছিলো বিশ্ববাসীর কাছে একটা স্বরণীয় ঘটনা।
বাংলাদেশে ঈদ-উল-ফিতর কবে?
তবে সৌদির হিসাব যাই হোক বাংলাদেশের আকাশে ৩০ রমজানেই অর্থাৎ ২০ মার্চ সন্ধ্যায় বড় করে ঈদের চাঁদ খালি চোখেই দেখা যাবে ইনশাআল্লাহ। এমনকি পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানেই ২০ মার্চ চাঁদ দেখা যাবে। যদিও রোজা ৩০ টি পূর্ণ হলে চাঁদ দেখা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই ঐদিন আবহাওয়া জনিত কারনে চাঁদ দেখা না গেলেও পরেরদিন ঈদ।
তবে এবার পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানে ৩০ রোজা পূর্ণ হলেও যেসকল দেশে সৌদি ও বাংলাদেশের পাশাপাশি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের ১ দিন পরে রোজা শুরু হয়েছিলো, সেসব স্থানে আকাশ ক্লিয়ার থাকলে রোজা ২৯ টি হতেপারে। তারা ২৯ রমজানেই চাঁদ দেখতে পারে। নিউজিল্যান্ডে ২৯ রমজানে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে প্রায় ১.৫%। যা খালি চোখে দেখতে পাওয়া কিছুটা হলেও সম্ভব। যদি আকাশ একদম পরিষ্কার থাকে।
তারমানে কাহিনি হলো যদি এবার সৌদি ১ দিন আগে চাঁদ না দেখতো তাহলে হয়তো বা এবার একই দিনে পৃথিবীর সব জায়গায় ঈদ উৎযাপিত হতো ।
এত সময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।
Bangladesh weather observation team Ltd
Advertisements
